Fazle hasan Abed

রণদাপ্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক পেলেন ব্র্যাকের ফজলে হাসান আবেদ ও দুই গুণী

দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহা স্মারক সম্মাননা ও স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হলো তিন গুণী ব্যক্তিত্বকে। পাকিস্তান গণপরিষদে অধিবেশনের সব কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতেও রাখার দাবি উত্থাপন করার কারণে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (মরণোত্তর), বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের মাধ্যমে দরিদ্রদের স্বাবলম্বী করতে অবদান রাখায় ফজলে হাসান আবেদ এবং সাহিত্যে অবদান রাখায় অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

গতকাল শনিবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ স্মারক সম্মাননা ও স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পক্ষে পদক গ্রহণ করেন আরমা দত্ত। সম্মাননাপ্রাপ্তদের স্বর্ণের মেডেল পরিয়ে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। এ সময় আয়োজক প্রতিষ্ঠান কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারপারসন ভাষাসংগ্রামী প্রতিভা মুত্সুদ্দী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ভারতেশ্বরী হোমসের অধ্যক্ষ প্রতিভা হালদার।

অনুষ্ঠানে ‘দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহা স্মারক বক্তৃতা দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। তাঁর লেখা ‘আর পি সাহা এবং তার শিক্ষা ও মানবসেবা দর্শন’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করে শোনান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ।

সভাপতির বক্তব্যে ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের জন্য সব দান করে দেওয়া, এমন দৃষ্টান্ত বিরল। সব শেষে দেশের জন্যও নিজের জীবনটা দান করে দিলেন রণদাপ্রসাদ সাহা। তার জন্য ঋণের শেষ নেই। তবে যদি তাঁর আদর্শটা সমাজে ছড়িয়ে যায় তাহলে ঋণ কিছুটা শোধ হতে পারে। ’

পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে ফজলে হাসান আবেদ বলেন, ‘আর পি সাহা এক গৌরবান্বিত ব্যক্তিত্বের নাম। যিনি মানবকল্যাণে নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে গেছেন। তাঁর মতো গুণী ও দানবীরের নামাঙ্কিত পুরস্কার পেয়ে আমি প্রীত হয়েছি। ’

মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ‘আর পি সাহা ছিলেন ম্যাজিক্যাল এক মানুষ। ছোটবেলায় তাঁর গল্প শুনে পুলকিত হতাম। এই পুরস্কার পেয়ে নিজেকে সত্যি ধন্য মনে করছি। ’ আরমা দত্ত তাঁর বক্তব্যে আর পি সাহা ও ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বিভিন্ন কথা তুলে ধরেন।




Leave a Reply